আমরা যে দ্বিতীয় ইমেইলটা দিয়েছি তার উত্তরটা কী আসে। এই হচ্ছে নরমাল আইসিসির সাথে আমাদের যোগাযোগ।’
এছাড়া আইপিএল প্রসঙ্গে বুলবুল বলেছেন, ‘আইপিএল হচ্ছে একটা ঘরো প্রিমিয়ার লিগ। সেখানে বিদেশিরা খেলে। সেখানে তাদের সাথে আমাদের শুধুমাত্র যোগাযোগ হয় কোন খেলোয়াড়ের যখন কোন এনওসি দরকার হয় বা এনওসি বাতিল করতে হয় সেটা। বিসিসিআই আইসিসির পূর্ণ সদস্য এবং আমাদের পার্টনার। আমরা তাদের সাথে শুধুমাত্র যখন তাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বা কোনো অন্য কোনো সিরিজের আয়োজন করা হয়, তখন তাদের সাথে যোগাযোগ করা হয়। আইসিসি হচ্ছে আমাদের মাদার বডি। আইসিসির সাথে আমাদের সকলের যোগাযোগ সবসময় যোগাযোগ থাকে। তো আমাদের মেইন যে যোগাযোগের জায়গা সেটা হচ্ছে আইসিসি এবং তাদের সাথে নিয়মিত আমাদের যোগাযোগ আছে।’
বিসিবি প্রধান আরও বলেছেন, ‘মুস্তাফিজ হচ্ছে আমাদের জাতীয় দলের অন্যতম একজন সেরা ফাস্ট বোলার বা একজন চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়। এই খেলোয়াড়দের সাধারণত এজেন্ট থাকে। তো এজেন্টের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন দেশে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলো খেলে। মুস্তাফিজ তার এজেন্ট এবং তার যে ফ্র্যাঞ্চাইজি ছিল কেকেআর সে সেখানে আমরা সাধারণত হস্তক্ষেপ করি না, জানিও না। মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া সংবাদটা আমরা সংবাদের মাধ্যমে পেয়েছি। একটা ব্যাপার জানেন যে হয়ত জানে না অনেকে সরকার কিভাবে আমাদের সাথে সংযোগে থাকে। আমরা কিন্তু আমাদের যেকোনো দল বয়সভিত্তিক দল, ছেলেদের দল, মেয়েদের দল, বিশ্বকাপ আমরা কিন্তু যাওয়ার আগে আমরা সরকারের অনুমতি নিতে হয়। ওটাকে আমরা জিও (সরকারি আদেশ) বলি। জিও নেওয়ার সময় কিন্তু সরকার প্রত্যেকটা ব্যাপার দেখে কারা যাচ্ছে, কোথায় খেলতে যাচ্ছে, সেই দেশের নিরাপত্তা কী অবস্থা, সেই দেশে আমাদের যে দূতাবাস আছে সেখানে যোগাযোগ করা। তো সেই যোগাযোগ টা সবসময় থাকে এখনো আছে।’
বুলবুলের মতে, ‘আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের উচিত বাংলাদেশের ক্রিকেটের মান উন্নয়ন করা। আমাদের এখন র্যাঙ্কিং আছে ধরেন ৯-১০-এর কাছাকাছি। আমাদের উচিত এখন কিভাবে আমরা দেশব্যাপী ক্রিকেটটা উন্নয়ন করে র্যাঙ্কিংটা ৩ ৪-এর দিকে কোন একদিন নিয়ে যাব। তখন কিন্তু আমাদের আইসিসিতে না বিশ্ব ক্রিকেটে আমাদের আমাদের যে অবস্থান সেটা আরো বড় হতে পারবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের আরো বেশি ফোকাস করা উচিত।’
বিশ্বকাপের বর্তমান সূচি অনুযায়ী গ্রুপের পর্বের ৩ ম্যাচ কলকাতায় এবং ১ ম্যাচ মুম্বাইয়ে খেলবে বাংলাদেশ দল।
